আগামী সপ্তাহ থেকে চালু হচ্ছে আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট চলাচল

প্রকাশিত: 11:42 AM, June 8, 2020

অবশেষে চালু হচ্ছে আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট চলাচল। আজ সোমবার এই বিষয়ে ঘোষনা দিবে বেবিচক। আগামী সপ্তাহ থেকে আন্তজাতিক রুটে ফ্লাইট চলাচল শুরু হতে পারে। ফ্লাইট চালানোর ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি কঠোর শর্ত জুড়ে দেয়া হচ্ছে। শর্তের ব্যতয় ঘটলে ফ্লাইট বাতিল করা হবে। ফ্লাইট চালানোর সময় যাত্রী ও বিমান কর্তৃপক্ষকে স্বাস্থ্যবিধি মানতেই হবে। সামজিক দুরুত্ব মেনেই যাত্রীদের আসন বন্টন করবে কর্তৃপক্ষ। এই ক্ষেত্রে যাত্রীদের ভাড়াও বেড়ে যাবে। প্রথম ফ্লাইট চলবে লন্ডন ও কাতার রুটে। তারপর খুলে দেয়া হবে সব রুট।

বেবিচকের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচলের ব্যাপারে চুড়ান্ত সিন্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আশা করি চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে বা আগামী সপ্তাহের শুরুতে ফ্লাইট চালু করতে পারবো। বর্তমানে আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত আন্তজাতিক রুটে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রয়েছে। জানাগেছে ১৫ জুনের পরই খুলে দেয়া হবে আন্তজাতিক রুটে ফ্লাইট চলাচল।

জানা যায়, বাংলাদেশে লকডাউনের দীর্ঘ ছুটি থাকলেও আন্তজার্তিক রীতিনীতি মেনে আইকাও গাইড লাইন অনুযায়ী সীমিতকারে ফ্লাইট চালুর সবধরণের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত মাসে ঢাকায় হয়ে গেছে আইকাও-এর সঙ্গে যুক্ত ব্রিফিং।

 

এতে করোনা পরিস্থিতর মাঝে পুনরায় বিমান চলাচলের বিষয়ে আলোচনা করেন এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের সিভিল এভিয়েশন খাতের শীর্ষ ব্যক্তিরা। দীর্ঘ সাড়ে তিন ঘণ্টাব্যাপী অনলাইনে এই সভায় করোনা পরিস্থিতিতে নেয়া পদক্ষেপ, মোকাবিলা পদ্ধতি পরিস্থিতির উত্তরণ নিয়ে আলোচনা হয়।

বেবিচকের এক কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাজ্য ও কাতারে ফ্লাইট চলাচলে মাধ্যামে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে। দুই দেশের দুটির অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা হয়েছে। কাতার এয়ারওয়েজ দোহা থেকে ঢাকায় ফ্লাইট পরিচালনা করতে চাচ্ছে। তবে কাতারে কোনো বাংলাদেশি যাত্রী যেতে পারবেন না। করোনা ভাইরাসের ঝুঁকির মধ্যে থাকায় সেখানে বাংলাদেশির ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

বেবিচকের এক কর্মকর্তা বলেন, ফ্লাইট চালু হওয়ার পর কঠোর বিধিবিধান মানতে হবে যাত্রী ও বিমান সংস্থাসহ সবাইকে।ফ্লাইটে ওঠার আগে যাত্রীর করোনার নেগিটিভ সার্টিফিকেট থাকতে হবে। তাছাড়া শরীরে তাপমাত্রা ৯৯ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা এর বেশি থাকলে তার যাত্রা বাতিল হয়ে যাবে। বিমানবন্দরের টার্মিনালে একাধিক ফ্লাইটের যাত্রীরা একসঙ্গে থাকতে পরবেন না। প্রতিটি ফ্লাইটে ওঠার আগে যাত্রীদের বোর্ডিং পাস নেয়ার পর নির্ধারিত এলাকার মধ্যেই থাকতে হবে। সবাইকে মাস্ক ও গ্লাভস পরতে হবে।