কোমলমতি স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের বেপারার মারপিট করায় শ্যামনগর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত: ১২:০১ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৩১, ২০২২

এম কামরুজ্জামান, শ্যামনগর সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ

সাতক্ষীরা’র শ্যামনগর উপজেলায় কাশিমাড়ি ইউনিয়নে গোবিন্দপুর ৭৪ নাম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেমের বেপরোয়া মারপিটের শিকার ১০ স্কুল ছাত্র ছাত্রী। এ ঘটনায় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে ৩০ আগষ্ট মঙ্গলবার দুপুর ১ টায় সংবাদ সম্মেলন করেছে।সংবাদ সম্মেলনে সকলের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অভিভাবক মাসুদা খাতুন।
তিনি বলেন আমাদের কোমলমতি শিশুরা শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ি ইউনিয়নে ৭৪ নং গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পড়াশোনা করেন।গত ইংরেজি ২৪ আগস্ট ২০২২ তারিখ বুধবার প্রতিদিনের ন্যায় আমাদের ছেলে মেয়েরা স্কুলে শিক্ষা গ্রহণ করার জন্য স্কুলে যায়। উক্ত স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ আবুল কাশেম যথারীতি পঞ্চম শ্রেণীর ক্লাস নিতে যায় ক্লাস রুমে। ক্লাস নেওয়াকালীন প্রধান শিক্ষকের শারীরিক ভাবভঙ্গির কারণে ছেলে মেয়েরা একটু হাসাহাসি করলে প্রধান শিক্ষক ক্লাসের আমাদের সকল কোমলমতি ছেলে মেয়েদের ধরে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারপিট করেন। যাতে কোমলমতি ছেলেমেয়েদের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় রক্তাক্ত ও আহত হয় এবং তিন চার জনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষত হয়ে রক্তাত্বর কারনে তারা বেহুশ হয়ে যায়। ভয়ে ছেলেমেয়ের এদিক ওদিক দৌড় দিয়ে রাস্তার দিকে ছোটাছুটি করে পালাতে গেলে উক্ত প্রধান শিক্ষক রাস্তায় ফেলে তাদের ধাওয়া করে মারতে থাকে। কোমল মতি ছেলেমেয়েদের পরবর্তীতে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেয়।বিদ্যালয়ের সভাপতি তাৎক্ষণিক উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কে অবগত করলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তাৎক্ষণিক স্কুলে উপস্থিত হয়ে তিন খানা ভাঙা লাঠি জব্দ করেন এবং পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন।সেখান থেকে পরিস্থিতি খারাপ দেখে প্রধান শিক্ষক পালিয়ে যান। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও শ্যামনগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবর লিখিতো অভিযোগ দায়ের করি। তারা সকলে শিক্ষা অফিসে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন তারপরও উক্ত প্রধান শিক্ষক বেপরোয়া হয়ে আমাদের কে বিভিন্ন হুমকি ধামকি অব্যাহত রেখে।সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ সহ ফৌজদারী শাস্তি মূলক ব্যবস্থার দাবি জানাচ্ছি কোমল মতি শিক্ষার্থীরা বলেন আমরা আর এভাবে অন্যায় ভাবে মার খেতে চাই না। আমরা উক্ত স্যারের বেদম প্রহারে ১০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছি আমরা এর বিচার চাই। ছবির ক্যাপশন:প্রধান শিক্ষকের বেপারার মারপিটের কারণে আহত হন ১০ শিক্ষার্থী উক্ত ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সংবাদ সম্মেলন।