ঢাকা, ৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ | ১৩ই রজব, ১৪৪৪ হিজরি

খুলনা বিভাগে একদিনে সর্বোচ্চ ৫৫৭ জনের করোনা শনাক্ত


প্রকাশিত: ৩:০০ অপরাহ্ণ, জুন ৯, ২০২১

খুলনা বিভাগে করোনা শনান্ত হয়েছে ৫৫৭ জনের। বুধবার (৯ জুন) সকাল পর্যন্ত বিভাগে করোনা আক্রান্ত হয়ে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে এপর্যন্ত বিভাগে সর্বোচ্চ শনাক্ত।

বুধবার দুপুরে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক রাশেদা সুলতানা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় খুলনা জেলার তিনজন, বাগেরহাটের চারজন, কুষ্টিয়ার দুজন ও যশোরের একজনের মৃত্যু হয়েছে।

অপরদিকে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে বেড়েছে রোগীর চাপ। এখানে ধারণ ক্ষমতার বেশি রোগী ভর্তি রয়েছে।

করোনা ইউনিটের ফোকাল পার্সন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার বলেন, ‘বুধবার সকাল পর্যন্ত খুলনার করোনা হাসপাতালে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে ছয়জন ও উপসর্গ নিয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। আর ভর্তি রয়েছেন ১৩০ জন রোগী। এদের মধ্যে ৬২ জন রয়েছেন রেড জোনে ও ২৯ জন ইয়োলো জোনে। এছাড়া আইসিইউতে ১৮ জন ও এইচডিইউতে ২১ জন আছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৫৭ রোগী। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫১ জন।’

করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৩৭ হাজার ৫১২ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৯০ জনে। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩২ হাজার ৪১৯ জন।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের জেলা ভিত্তিক করোনা সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিভাগে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যার দিক থেকে খুলনা জেলা শীর্ষে রয়েছে। এপর্যন্ত খুলনায় শনাক্ত হয়েছে ১০ হাজার ৯৭৯ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১৯১ জন। সুস্থ হয়েছেন ৯ হাজার ৪৮৪ জন।

এছাড়া বাগেরহাটে করোনায় শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ৯১৮ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৫১ জন ও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এক হাজার ৪৬২ জন। সাতক্ষীরায় শনাক্ত হয়েছে দুই হাজার ১০৯ জন ও মারা গেছেন ৪৮ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এক হাজার ৫০০ জন।

যশোরে করোনায় শনাক্ত হয়েছে সাত হাজার ৬৯৯ জন, মারা গেছেন ৮৪ জন ও সুস্থ হয়েছেন ছয় হাজার ৬৬০ জন। নড়াইলে শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ৯৫৬ জন, মারা গেছেন ২৭ জন ও সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৮৪৪ জন। মাগুরায় করোনায় শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ২৯২ জন, মারা গেছেন ২৩ জন ও সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ২১৫ জন।

এদিকে ঝিনাইদহে শনাক্ত হয়েছে তিন হাজার ১০ জন, মারা গেছেন ৫৭ জন ও সুস্থ হয়েছেন দুই হাজার ৭৮৩ জন। কুষ্টিয়ায় করোনায় শনাক্ত হয়েছে পাঁচ হাজার ৩২১ জন, মারা গেছেন ১২২ জন ও সুস্থ হয়েছেন চার হাজার ৭৫২ জন।

চুয়াডাঙ্গায় শনাক্ত হয়েছে দুই হাজার ১১৭ জন, মারা গেছেন ৬৪ জন ও সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৮৪৩ জন। আর শনাক্তের দিক দিয়ে সর্বনিম্নে রয়েছে মেহেরপুর। এখানে শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ১০১ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২৩ জন ও সুস্থ হয়েছেন ৮৭৬ জন।