জাবারাং সংস্থা’র উদ্যোগে পেরাছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে সেশন পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা

প্রকাশিত: ২:৫৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২২

খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাক,খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:

ওয়াই-মুভস প্রকল্প ও জাবারাং কল্যাণ সমিতি’র বাস্তবায়নে প্লান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ’র কারিগরি সহায়তায় এবং সিডা’র অর্থায়নে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য এবং অধিকার ও শিশু রক্ষা বিষয়ক স্থানীয় নেটওয়ার্ক এর প্রতিনিধিরা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এসআরএইচআর(SRHR) সেশন পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। সোমবার(১৯সেপ্টেম্বর) সকালে পেরাছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এ সেশন পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সেশন পরিদর্শন মতবিনিময় সভায় জাবারাং কল্যাণ সমিতি’র নির্বাহী পরিচালক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার ও জেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের সভাপতি সাধন কুমার চাকমা।

এদিন সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন জাবারাং কল্যাণ কল্যাণ সমিতি’র প্রকল্প সমন্বয়ক বিনোদন ত্রিপুরা। প্রথম পর্বে বিজ্ঞান ও শারীরিক শিক্ষা সেশন পরিচালনা করেন পেরাছড়া উচ্চ বিদ্যালের সহকারী শিক্ষিকা নিপা মারমা।

এ সেশনে তিনি কৈশোরদের “Sexual and Reproductive Health and Rights”(SRHR)” স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক নানান সমস্যা ও সমাধান,মাসিক ব্যবস্থাপনা, স্যানিটারি উপকরণ রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা এবং বয়ঃসন্ধিসহ নানান বিষয়ে সেশন নেন।

সেশনের পরপরেই যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য এবং অধিকার ও শিশু রক্ষা বিষয়ক স্থানীয় নেটওয়ার্কের প্রতিনিধিরা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যৌনতা এবং প্রজনন স্বাস্থ্য এবং অধিকার”Sexual and Reproductive Health and Rights”(SRHR) সেশন পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময় সভায় বক্তারা কিশোর-কিশোরীদের বয়ঃসন্ধিকালসহ নানান সমস্যা ও সমাধান’র বিষয়ে আলোচনা করেন। বক্তারা জানান,বয়ঃসন্ধিকাল শুরুর সাধারণ বয়সসীমার মধ্যে ব্যাপক তারতম্য রয়েছে, কিন্তু গড়পড়তা মেয়েদের বয়ঃসন্ধির প্রক্রিয়া ছেলেদের ১-২ বছর আগে শুরু হয় (গড় বয়স: মেয়েদের ৯-১৪ বছর এবং ছেলেদের ১০-১৭ বছর)এবং অল্পসময়ের মাঝেই সম্পূর্ণতাপ্রাপ্ত হয়। সাধারণত বয়ঃসন্ধির প্রথম লক্ষণ দেখা দেয়ার চার বছরের মধ্যেই মেয়েরা তাদের উচ্চতা
ও প্রজনন পরিপূর্ণতা লাভ করে। এক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে ছেলেদের বৃদ্ধিটা হয় একটু ধীরে, কিন্তু সাধারণত বয়ঃসন্ধির পরিবর্তন শুরুর ছয় বছরের মধ্যে তারাও পরিপূর্ণতা লাভ এসব বিষয়ে আলোচনা করেন বক্তারা।

এ সময় পেরাছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিম্বিসার খীসা,সহকারী শিক্ষক লায়েস দেওয়ান,দুর্বার নেটওয়ার্কের কেন্দ্রীয় সদস্য নমিতা চাকমা, কাবিদাং’র নির্বাহী পরিচালক লালসা চাকমা, আনন্দ সংস্থা’র আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক বিজয় কৃষ্ণ বালা,জাবারাং কল্যাণ সমিতি’র প্রকল্প কর্মকর্তা দোলন দাশ,তৃণমূল উন্নয়ন সংস্থা,আলো, খাগড়াপুর মহিলা কল্যাণ সমিতি’র প্রতিনিধিসহ স্থানীয় অভিভাবক ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।