তরমুজ কিনতে ক্রেতাদের ভোগান্তি

প্রকাশিত: ৪:১৩ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ৩, ২০২২

গরম কালের খরতাপে প্রচুর চাহিদা রয়েছে রসালো ফল তরমুজের। কিন্তু মধ্যস্বত্বভোগী ব্যবসায়ীরা আকারে নয় ওজনে বিক্রি করছেন তরমুজ। ফলে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন সাধারণ ক্রেতারা।

রমজানকে কেন্দ্র করে এক শ্রেণীর অসাধু খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা ভুয়া ভাউচার দেখিয়ে কেজিদরে বিক্রি করছেন তরমুজ। আর এতে প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত শ্রেণীর মানুষরা। শহর নয় প্রত্যন্ত লোকালয়েও ছোট ছোট ফলের দোকানগুলেতে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ অথচ ওই একই তরমুজ পাইকারি আড়ৎ থেকে কিনে আনা হচ্ছে ১৫ টাকা কেজিদরে এমনটাই বললেন পাইকাররা।
সরেজমিনে দেখা যায়, মানিকগঞ্জসহ সাতটি উপজেলায় এখন মৌসুমি ফল তরমুজ নিয়ে কথার শেষ নেই। কেউ উপহাস করছেন আবার কেউ কেউ তারিফ করছেন এই তরমুজের দাম নিয়ে। জেলায় দুটি ফলের আড়ৎ রয়েছে আর ওই আড়ৎগুলোতে পিস হিসেবে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ, কিন্তু খুচরা ব্যবসায়ীরা একটি সিন্ডিকেট তৈরি করে কেজিদরে বিক্রি করছেন তরমুজ। প্রশাসনিকভাবে তেমন নজর না থাকায় এ ধরনের সিন্ডিকেট তৈরি করতে পেরেছে খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা এমনটাই অভিযোগ সাধারণ ক্রেতাদের।

ফল কিনতে এসে বাগ-বিতণ্ডায় জড়ালেন আতোয়ার নামে এক ক্রেতা। তিনি বলেন, গত বছর থেকে দেখছি মৌসুমের প্রথম দিকে কেজিতে তরমুজ বিক্রি করতে অথচ তাদের যদি বলি তোমরা কিভাবে আড়ৎ থেকে তরমুজ কিনেছো এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করা শুরু করে। পরে আমি প্রতিবাদ করায় খুচরা ব্যবসায়ী বললো আপনার কাছে বিক্রি করবো না তরমুজ।

মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তরমুজ কিনতে এসে ক্ষোভ ঝারলেন আরিফ নামে এক ক্রেতা, কেজিতে কোনোদিন তরমুজ বিক্রি হয় জানতাম না, আমি প্রথমে দোকানে গিয়ে দাম কত বলেছি তখন দোকানি বলে প্রতি কেজি তরমুজ ৫০ টাকা। পরে একটি তরমুজ কিনলাম যার ওজন প্রায় ৬ কেজির মতো।