তালায় সপ্তাহ ব্যাবধানে কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে চারগুণ

Jahid Jahid

Hasan

প্রকাশিত: ৬:১১ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৯, ২০২১

বি এম বাবলুর রহমান ( তালা- সাতক্ষীরা)
করোনা কালীন সময়ে বাজারে এক সপ্তাহের ব্যাবধানে উদ্ধগতিতে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম।

সোমবার (৯ আগস্ট) সকালে তালার বিভিন্ন বাজারে খুচরায় ২৫০ গ্রাম কাঁচা মরিচ কিনতে লাগছে ৬০ টাকা। সে হিসাবে কেজিপ্রতি দাম পড়ছে ২৪০ টাকা, কোথাও কোথাও ২২০ টাকাতেও বিক্রি হচ্ছে। সপ্তাহখানেক আগেও ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি ছিল কাঁচা মরিচ। তার আগের সপ্তাহে ছিল ৫০ থেকে ৭০ টাকা কেজি। অর্থাৎ দুই সপ্তাহের ব্যবধানে তালা উপজেলার বাজারগুলোতে কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে প্রায় পাঁচগুণের মতো।হঠাৎ কাঁচামরিচের দাম বেড়ে যাওয়ায় অস্বস্তিতে পড়েছেন সীমিত আয়ের মানুষ। তালার সদরের মোঃ নিয়ামোত আলী, সৈয়দ উজ্জ্বল ও জাতপুর বাজারের আব্দুর গফফার জানান দুই সপ্তাহ আগে ৮০-৯০ টাকা কেজি কাঁচামরিচ কিনেছি, এখন সেই কাঁচামরিচের দাম ২৬০ টাকার উপরে। বাধ্য হয়ে প্রয়োজনের চেয়ে কম কিনতে হচ্ছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে তালা বাজারে পাইকারীরা বগুড়া ও দিনাজপুর এলাকায় ঝ্যা জাতীয় কাঁচা মরিচ বিক্রি করছেন ১৮০ টাকা।আবার এলাকার বল্টু জাতীয় কাঁচা মরিচ কেজি প্রতি ২০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। বিক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টির কারণে কাঁচা মরিচের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া মরিচের উৎপাদনে পালাবদল হচ্ছে। এতে সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। কিছু কিছু ব্যাবসায়ী বলেন করোনা কালীন সময়ে বাইরের মোকাম থেকে কাঁচা মরিচ আনতে ব্যহত হচ্ছে।মে কারনে এলাকায় ছোট ছোট মোকাম থেকে কাঁচা মরিচ কিনতে হচ্ছে।

কাঁচা মরিচের অস্বাভাবিক দাম বাড়ার বিষয়ে তালা বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী আব্দুল খালেক বলেন, বৃষ্টিতে মরিচের ক্ষেত ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অর্থাৎ কাঁচা মরিচের উৎপাদন কম কিন্তু চাহিদা বেশি। এ কারণে দাম বাড়ছে।
মরিচের দাম বাড়ছে। অন্যদিকে পাইকারী ব্যাবসায়ী শেখ মিরাজ জানান বৃষ্টির কারণে বাইরে থেকে মাল আসতে না পারার কারনে ঘোড়ার গতিবেগে কাঁচ মরিচের দাম বেড়েছে।আমরা যেমন কিনছি তেমন বিক্রি করছি আমাদের তো সংসার আছে।

এবিষয়ে তালা বাজারের বর্ণিক সমিতির সভাপতি সৈয়দ জুনায়েদ আকবার জানান, অধিক বৃষ্টির কারণে কৃষকের কাঁচামরিচের ক্ষেত নষ্ট হয়েছে। তাছাড়া লকডাউন এর কারণে বাইরের মোকাম থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি করা কষ্টসাধ্য হয়ে যাচ্ছে এই সমস্ত কারণেই হঠাৎ করে কাঁচামরিচের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।