দেশে করোনা থেকে সুস্থ ১২ হাজারের বেশি মানুষ

প্রকাশিত: 5:10 PM, June 4, 2020
People queue to collect subsidised food items during a government-imposed nationwide lockdown as a preventive measure against the COVID-19 coronavirus, in Dhaka on April 26, 2020. (Photo by MUNIR UZ ZAMAN / AFP)

প্রতিদিনই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর তালিকা যেমন আশঙ্কাজনক হারে লম্বা হচ্ছে, তেমনি সুস্থতায়ও আসছে আশা জাগানিয়া খবর। দেশে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের সঙ্গে লড়াইয়ে জয়ীদের সংখ্যা এরই মধ্যে ছাড়িয়েছে ১২ হাজার।
গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর খোঁজ বাংলাদেশে প্রথম মেলে গত ৮ মার্চ; এর দশ দিনের মাথায় ঘটে প্রথম মৃত্যু।
কভিড-১৯ নিয়ে বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সবশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৩ হাজার ৫৬৩ জন।
এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৭৮১ জনের। দেশে করোনা শনাক্তের বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩৬ শতাংশ।
চব্বিশ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন আরও ৫৭১ জন। তাতে এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে মোট সুস্থ হলেন ১২ হাজার ১৬১ জন। দেশে করোনা রোগী শনাক্তের সংখ্যা বিবেচনায় সুস্থতার হার ২১ দশমিক ১৩ শতাংশ।
কভিড-১৯ প্রাণবিনাশী রোগ হলেও আতঙ্কের কিছু নেই। বিশ্বজুড়েও আক্রান্তের বিবেচনায় সুস্থতার হার বাড়ছে আশা জাগানিয়া হারে।
জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যানুযায়ী বিশ্বে মোট আক্রান্ত ৬৫ লাখ মানুষের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২৮ লাখের বেশি মানুষ। মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৮৫ হাজার মানুষের, যা শনাক্তের বিবেচনায় অনেক কম।
বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী হাসাপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়া বা সুস্থতার কিছু নির্ণায়ক বেধে দিয়েছে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস মোকাবিলায় সরকারের গঠিত ‘কভিড-১৯ কারিগরি কমিটি’।
নির্ণায়কগুলো হলো-
০১. জ্বর কমানোর ওষুধ, যেমন- প্যারাসিটামল সেবন ছাড়াই জ্বর সেরে গেলে।
০২. শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ বা সমস্যাজনিত উপসর্গ, যেমন- শুষ্ক কাশি, কফ, নিশ্বাসে দুর্বলতা ইত্যাদি উপসর্গসমূহের লক্ষণীয় উন্নতি হলে।
০৩. চব্বিশ ঘণ্টার ব্যবধানে পর পর দুটি আরটিপিসিআর পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ হলে।
উল্লেখ্য, যদি দুটি আরটিপিসি পরীক্ষা সম্ভব না হয় সেক্ষেত্রে যদি রোগীর উপরিউক্ত ১ ও ২ এর নির্ণায়ক দুটি পরবর্তী টানা ৭২ ঘণ্টা যাবৎ অব্যাহত থাকে তবে রোগীকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্রের অনুমতি দেওয়া যাবে।