পশ্চিম সুন্দরবনে মধুর পাশ দেওয়ার পূর্বে মধুর চাক চুরি

প্রকাশিত: ৬:১৯ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১, ২০২৩

এম কামরুজ্জামান, শ্যামনগর সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ

পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের আয়োজনে শনিবার ১ এপ্রিল সকালে বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৫৩ মৌয়ালদের আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমতিপত্রের উদ্বোধন করা
হলেও বন বিভাগের দেখে রাখা মধুর চাক চোরারা কেটে নেওয়ায় প্রাক্টিকাল মধু কাটা না হওয়ায় বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কৌশলে স্থানত্যাগ করেছেন।
এবিষয়ে ব্যাপক চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছে।
খুলনা বিভাগীয় বন সংরক্ষক (ডিএফও) ড. আবু নাসের মোহাম্মাদ মহসীন হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আতাউল হক দোলন।
এসময় আরো বক্তব্য রাখেন,উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান প্রভাষক সাইদ-উজ-জ্জামান সাঈদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খালেদা আয়ুব ড়লি, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আলহাজ্ব জি এম আকবর কবীর,সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি,গাবুরা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাছুদুল আলম, বুড়িগোয়ালিনী ইউপি নজরুল ইসলাম,মধু গবেষক মইনুল আনোয়ার,মৌয়াল আব্দুল হাকিম,সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্টান শেষে প্রতিবারের ন্যায় কলাগাছি বন টহল ফাড়ির সংলগ্ন এলাকায় প্রাকটিক্যাল মধুর চাক কেটে হয়। কিন্তূ এবার মধুর চাকটি চোরারা কেটে নেওয়ায়।
এবার মধুর চাক কাটা না হওয়া তিনি কৌশলে স্থান ত্যাগ করেন। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছে। লোকেদের মুখে বলাবলি করতে শোনা গেছে মধুর পাশ দেওয়ার পূর্বে বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা দালাল সিন্ডিকেটের মাধ্যমে চোরাদের দ্বারা সুন্দরবনের মধু কেটে সাভার করেছে।
অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালানা করেন হাফেজ রেজাউল ইসলাম। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ফরেষ্টার মনিরুল ইসলাম।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা রেঞ্জ কর্মকর্তা এম,কে,এম ইকবাল হোছাইন চৌধুরী বলেন,প্রতি নৌকায় ১০-১২ জন বাওয়ালী অবস্থান করতে পারবেন। একজন বাওয়ালী ১৫ দিনের জন্য সর্বোচ্চ ৫০ কেজি মধু ও ১৫ কেজি মোম আহরণ করতে পারবেন। ১৫ দিনের বেশি কোন বাওয়ালী সুন্দরবনে অবস্থান করতে পারবেন না।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ১৫ জন বাওয়ালীকে আনুষ্ঠানিকভাবে মধু আহরণের অনুমতি দেয়া হয়।সাতক্ষীরা সহকারী বনসংরক্ষক (এসিএফ) ইকবাল হোসেন চৌধুরী জানান,সুন্দরবনে নির্বিঘ্নে মধু আহরণের জন্য বনবিভাগের টহল জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া বন্যপ্রাণীর আক্রমণ হতে রক্ষার জন্য বাওয়ালীদের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।