প্রান্তিক নারী ও কিশোরীরা বিনামূল্যে আইনী সহায়তা পাবে;অতি: পুলিশ সুপার জিনিয়া চাকমা

প্রকাশিত: ১০:০৪ অপরাহ্ণ, মার্চ ৭, ২০২২

খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাক,খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:

“সরকারী আইনী সহায়তা বিষয়ে জানবো,নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ভূমিকা রাখবো” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে খাগড়াপুর মহিলা কল্যাণ সমিতি’র আয়োজনে গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স
কানাডা(GAC)’র অর্থায়নে এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন(MJF)’র সহযোগিতায় এ খাগড়াছড়ি’র প্রান্তিক নারী ও কিশোরীদের ক্ষমতায়নে কর্ম-উদ্যোগ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার(৭মার্চ)সকালের দিকে খাগড়াপুর জেবি রেস্টুরেন্টের অডিটোরিয়ামে এ উপলক্ষে প্রান্তিক নারী ও কিশোরীদের মাঝে পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়।এ পরামর্শমূলক সভায় খাগড়াপুর মহিলা কল্যাণ সমিতি’র নির্বাহী পরিচালক শেফালিকা ত্রিপুরা’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জজ কোর্টের সিনিয়র এসিস্ট্যান্ট জজ এন্ড জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার রাজীব দে।

সরকারী আইনী সহায়তা বিষয়ক সভায় কেএমকেএস’র প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর গীতিকা ত্রিপুরা’র সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিনিয়া চাকমা বলেন,প্রান্তিক নারী ও কিশোরীদের নিরাপদ জীবন,আনে সামাজিক উন্নয়ন।বর্তমান সরকার অসহায়, দরিদ্র , নির্যাতিত সকল শ্রেণীর মানুষের আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করে “আইনি সেবা” নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সম্পূর্ণ সরকারী অর্থায়নে “সরকারি আইনি সেবার মানোন্নয়নে সহায়তা প্রদান” প্রকল্পের আওতায়  জাতীয় পর্যায়ে সম্পূর্ণ টোল ফ্রি ১৬৪৩০ এই শর্টকোড নম্বরটি নিয়ে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে একটি কল সেন্টার নির্মাণ করা হয়েছে।  সম্পূর্ণ বিনামূল্যে নারীদের আইনী সহায়তা দেয়া হয়।আইনী সেবার পাশাপাশি বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা পাওয়ার জন্য অনেকগুলো সুযোগ সুবিধা রয়েছে।সুখী পরিবারের কল সেন্টার-১৬৭৬৭।বাল্য বিবাহ রোধ করার জন্য ১০৯ কল করে সেবা নিতে পারবেন।বাল্য বিবাহ রোধ করার জন্য ১০৯নাম্বার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।আমরা এই বিষয়ে না জানলে হবেনা।আমাদের সকলকে এই বিষয়ে জানতে হবে।এই না জানাকে জানানোর জন্যই আমরা আজকে এখানে জড়ো হয়েছি।নারী ও কিশোরীরা বিনামূল্যে আইনী সহায়তা পাবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজীব দে বলেন,আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা ‘সকল মানুষের বিচারে প্রবেশ অধিকার’ এই সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় সরকারি অর্থায়নে আইনী পরামর্শ ও মামলা পরিচালনায় আইনগত সহায়তা দিয়ে আসছে।  রাষ্ট্রের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধা-বঞ্চিত সকল মানুষদের এই সেবা প্রদান করার জন্য বাংলাদেশের ৬৪ টি জেলায় জেলা লিগ্যাল এইড অফিস স্থাপন করা হয়েছে।

এ সময় কেএমকেএস’র ফিল্ড অফিসার ডালিয়া ত্রিপুরা,ভলান্টিয়ার লিমা ত্রিপুরাসহ সভায় অংশগ্রহণকারী প্রান্তিক নারী ও কিশোরীরা উপস্থিত ছিলেন।