ঢাকা, ২৮শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ | ২৯শে জিলকদ, ১৪৪৩ হিজরি

বেনাপোলে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে দোয়া অনুষ্ঠান


প্রকাশিত: ৫:২৯ অপরাহ্ণ, মে ১৮, ২০২২

জাহিদ হাসানঃ

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র স্বদেশ প্রত‍্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড ও মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম বেনাপোল ও যশোর শাখার দিক নির্দেশনায় বেনাপোলে প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের মঙ্গল ও জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া অনুষ্ঠান করা হয়।

মঙ্গলবার (১৭ই মে) রাতে বেনাপোল বাজার সংলগ্ন সোনালী ব্যাংকের সামনে
দোয়া অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহি সদস্য ও বেনাপোল পৌর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হোসেন উজ্জল।

উক্ত দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বেনাপোল-পুটখালি শাখা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলম হাওলাদার এবং বাহাদুরপুর শাখা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা দ্বীন মোহাম্মদ চাচার নেতৃত্বে বেনাপোল, বাহাদুরপুর ও পুটখালী ইউনিটের বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ।

এছাড়াও উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, বেনাপোল পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহাতাব উদ্দিন, ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল হক খোকন, সাবেক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ইমাদ হোসেন, কবির হোসেন ভূইয়া, সাবেক শার্শা উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মফিজুর রহমান, সাবেক পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আশিকুল ইসলাম পারভেজ সহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

এসময় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, কামরুজ্জামান তরু, এনামুল হক জুয়েল, জুম্মান, আবুল হাসেম, ওসমান গণি, মিল্টন, মিয়াদ আলী, বাবলুর রহমান, শফিউর রহমান, জিল্লুর রহমান, উসমান গণি, জাহিদ হাসান সহ প্রমুখ।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তথা আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন নানা উন্নয়নের তথ্যচিত্র প্রদর্শনী সহ জনসাধারণ ও বাজারে উপস্থিত সকলের মাঝে লিফলেট বিতরণ করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে ফারুক হোসেন উজ্জল বলেন, ১৭ই মে বাংলাদেশের আপন কক্ষপথে ফেরার দিন। এদিন জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঐকান্তিক দৃড়তা, সাহস ও স্বদেশ প্রেমের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিলো। আমরাই পারি, আমরাই পারবো কেননা আমাদের আছেন জাতির পিতার যোগ্য কন্যা একজন স্বপ্নচারী নেতা শেখ হাসিনা। তার হাত ধরেই বঙ্গবন্ধুর আজন্ম লালিত স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে বাংলাদেশের ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত একটি সুখী সমৃদ্ধ উন্নত রাষ্ট্র হিসাবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।