ভ্রাম্যমানে দন্ডিত সেই তিন ইটভাটা ফের উৎপাদনে

প্রকাশিত: ৫:১৫ অপরাহ্ণ, মার্চ ১১, ২০২১

আহসান হাবিব শিমুল(আদমদীঘি প্রতিনিধি)

বগুড়ার আদমদীঘিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে গুড়িয়ে দেওয়া এবং বিপুল অংকের আর্থিক দন্ড পাওয়া সেই তিন ইটভাটা ফের ইট উৎপাদন শুরু করেছে। বাজারজাতও করছে দেদারছে। দূষণ করে চলেছে এলাকার পরিবেশ।

জানা গেছে, উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়নের ইশবপুর নামক স্থানে দুই ভাই এবং ডিজিএম ব্রিক্স নামক ইটভাটা পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না নিয়ে সনাতন পদ্ধতিতে ইট উৎপাদন এবং বাজারজাত করে আসছে এমন অভিযোগে পরিবেশ অধিদপ্তরের ঢাকা কার্যালয়ের মনিটরিং এবং এনফোর্সমেন্ট বিভাগ থেকে ২০২০ সালের ২৭ ডিসেম্বর ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদেকুর রহমান সবুজ এবং পরিবেশ অধিদপ্তর রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়, বগুড়ার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফ আফজাল দুই ভাই ইটভাটাটি ভেঙে দেয় এবং ডিজিএম’র পাশাপাশি থাকা দুই ইটভাটার ২০ লাখ টাকা জরিমানা করেন।

কিন্তু বর্তমানে আবারো গুড়িয়ে দেওয়া দুই ভাই ইটভাটা এবং জরিমানা’র দন্ড পাওয়া ডিজিএম’র দুই ইটভাটা ইট উৎপাদন ও বাজারজাত করছেন পুরোদমে। সরেজমিনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী বলেন, এসব অভিযান লোক দেখানো। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করার এক সপ্তাহ পর থেকে ধুমসে ইট উৎপাদন ও বাজারজাত শুরু করে দিয়েছেন ভাটা মালিকরা।

এদিকে, একই ইউনিয়নের নিমাইদিঘী-সাগরপুরের ফসলের মাঠে, উপজেলার চাঁপাপুরে তিন ফসলি জমিতে পাশাপাশি দুইটি এবং সান্তাহার পৌর এলাকার বশিপুরের ছোট্ট মাঠের তিন ফসলি জমিতে পাশাপাশি তিন ইটভাটা অবাধে ইট উৎপাদন এবং বাজারজাত করে চলেছে। এসব এলাকার মানুষ, ফসল, গাছ-গাছালি পরিবেশ দূষণ জনিত রোগে ধুঁকে ধুঁকে মরলেও পরিবেশ অধিদপ্তরের সে ব্যাপারে খুব একটা ভ্রুক্ষেপ নেই, এমনটা দাবী করেছেন ওই ৪ এলাকার আশপাশের সাধারণ মানুষ।