ঢাকা, ৩১শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২০শে জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি

মাদারীপুরে মেডিকেল কলেজ স্থাপন ও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল চালুকরণ দাবিতে মানববন্ধন


প্রকাশিত: ৭:৪৮ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৭, ২০২১

মাদারীপুর জেলার সদরে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নির্মিত হাসপাতাল চালু ও একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ কলেজ স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ঢাকাস্থ মাদারীপুর সোসাইটি (ডিএমএস)।

আজ শুক্রবার (১৬ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে এসব দাবি জানান তারা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘মাদারীপুরে ২৫০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ করা হলেও তা চালু করা হয়নি। অথচ ১০০ শয্যার সদর হাসপাতালে রোগীদের চাপ সামলাতে চিকিৎসকদের হিমশিম খেতে হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য এলাকাবাসীকে যেতে হয় পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর হাসপাতালে। করোনা চিকিৎসার জন্যও নেই পর্যাপ্ত সুবিধা। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের চিকিৎসা ব্যবস্থায় আছে নানারকম ঘাটতি ও অনিয়ম। এমতাবস্থায় নির্মিত হাসপাতাল চালু ও একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা একান্ত প্রয়োজন।’

এ সময় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন ডিএমএসের প্রতিনিধি ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের কর্মকর্তা রাকিব হাসান সেলিম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন রাজধানীর মানিকনগর আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল ও বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ফারহানা আফরোজ রুনা এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মিসেস রেকসনা।

ডিএমএসের পক্ষে মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন মাহাবুব আলম, কামাল হোসেন, আরিফ হোসেন, এইচ এম বাবুল, হোসেন এম বাপ্পি, খন্দকার রাকিব, আবুল কালাম, মোহাম্মদ আবুল বাশার বেপারী এবং ডা. এম মোস্তাফিজ প্রমুখ।

রাকিব হাসান বলেন, ‘মাদারীপুরে ২৫০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়েছে। হাসপাতালটি সম্পর্ণ প্রস্তুত, কিন্তু দীর্ঘ দিন ধরে চালু করা হচ্ছে। কি কারণে, কেন চালু করা হয় না, আমরা তা বুঝতে পারছি না। করোনার এই সময়ে মাদারীপুরের মানুষ প্রচুর ভোগান্তিতে আছে। কেউ অসুস্থ হলে তাকে নিতে হয় বরিশাল বা ঢাকায়। উন্নত চিকিৎসার জন্য নিতে নিতে পথেই রোগীর অবস্থা গুরুতর হয়ে যায়। এজন্য এখন মাদারীপুর জেলার সার্বিক চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে হবে।’

ফারহানা আফরোজ বলেন, ‘মাদারীপুরে একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা খুবই জরুরি। মাদারীপুরের মানুষের স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নয়ন চাই আমরা। এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

জেলার সকল হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থার সংকটের সমাধান চেয়ে মিসেস রেকসনা বলেন, ‘মাদারীপুরে করোনার চিকিৎসার জন্য পি সি আর ল্যাব এবং আইসিইউ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। দালালদের মাধ্যমে প্রাইভেট ক্লিনিকে রোগী পাঠানো বন্ধ করতে হবে। কালকিনি উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবন পুনর্নির্মাণ ও জনবল নিয়োগ দিয়ে সঠিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।’