সচিবালয়ের নিস্তব্ধতায় খোলা থাকা অংশগুলো যেন কর্মের ক্ষীণ কোলাহল

প্রকাশিত: ৩:০৭ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২২, ২০২১

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ রোধে চলমান লকডাউনের মধ্যে সরকারি ও বেসরকারি অফিস বন্ধ রয়েছে। তবে খোলা রয়েছে জরুরি সেবা দেয়া প্রতিষ্ঠান। সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর জরুরি সেবা দেয়া শাখাগুলো খোলা রয়েছে। তাই সচিবালয়ের নিস্তব্ধতায় এসব খোলা থাকা অংশগুলো যেন কর্মের ক্ষীণ কোলাহল।

বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) সচিবালয় ঘুরে দেখা গেছে, মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো অনেকটাই নিস্তব্ধতায় ডুবে আছে। করিডোরগুলো পড়ে আছে জনমানবহীন। অনেকক্ষণ পর হয়তো দেখা মিলছে দু-একজনের। তবে প্রায় সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগেরই কোনো না কোনো শাখা খোলা রয়েছে।

jagonews24

মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

এই সুযোগে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জুড়ে সংস্কার কার্যক্রম চলছে। মানুষের আনাগোনা একেবারে কম থাকায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের করিডোরে কুকুর শুয়ে থাকতেও দেখা গেছে।

বৃহস্পতিবার থেকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বিধিনিষেধের বর্ধিত মেয়াদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে সংযোগ সাধনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ২৮ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার। এই কর্মকর্তারা পাঁচ ভাগে ভাগ হয়ে ২২, ২৫, ২৬, ২৭ ও ২৮ এপ্রিল দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিটি ভাগের দায়িত্বে রয়েছেন একজন করে অতিরিক্ত সচিব।

jagonews24

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগেও আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সমন্বয় সেলে পাঁচদিন দায়িত্ব পালনের জন্য ১৯ জন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন- অতিরিক্ত সচিব (জেলা ও মাঠ প্রশাসন অনুবিভাগ) শেখ রফিকুল ইসলাম। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের কাজটি করছি। রোস্টার অনুযায়ী আমরা ডিউটি করছি। তবে আমাদের মন্ত্রিপরিষদ মহোদয় প্রতিদিনই অফিসে আসছেন।’