সারাদেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে,খাগড়াছড়ির সাংবাদিক ও সর্বস্তরের সচেতন নাগরিক সমাজ

প্রকাশিত: ১:১২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৮, ২০২১

খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাক,খাগড়াছড়ি:

খাগড়াছড়িতে সারাদেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।এতে প্রতিপাদ্যের বিষয় ছিল,” সাম্প্রদায়িকতা রুখে দাঁড়াও,সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ো”।

বৃহস্পতিবার(২৮অক্টোবর)সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা শহরের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।এসময় ব্যানারে ব্যানারে শ্লোগান ছিল,”চাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ” “রাজনৈতিক দোষারোপ নয়,সহিংসতা রোধে অভিলম্বে সমস্ত ঘটনার সুস্থ বিচার হোক”,”বিশ্বভরা প্রাণের ডাক,সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ নিপাত যাক”।এতে প্রতিপাদ্যের ছিল “সাম্প্রদায়িক অপশক্তির উণ্থান রোধ করি,সাম্প্রদায়িক হামলার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ি”।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন,খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাব সভাপতি জিতেন বড়ুয়া।এতে সাংবাদিক আবু দাউদ’র সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন দৈনিক অরণ্য বার্তা’র সম্পাদক চৌধুরী আতাউর রহমান,খাগড়াছড়ি সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি প্রদীপ চৌধুরী, সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি নুরুল আজম,জাবারাং কল্যাণ সমিতির নির্বাহী পরিচালক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা,নারী উদ্যোক্তা ও সমাজ কর্মী শাপলা দেবী ত্রিপুরা,সাংবাদিক ও নারী অধিকার কর্মী চিংমেপ্রু মারমা,সচেতন নাগরিক কমিটি(সনাক)’র প্রতিনিধি লালসা চাকমা,পূজা উদযাপন কমিটির প্রতিনিধি তরুণ কুমার ভট্টাচার্য, এডভোকেট নাসির উদ্দিন সুজন,এডভোকেট বিধান কানুনগো,আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের প্রতিনিধি সুপ্তা চাকমা প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন,বাংলাদেশে শান্তি,সম্প্রীতি নষ্ট করতে একটি কুচক্রী মহল উঠেপড়ে লেগেছে। তাদেরকে অচিরেই একযোগে ও ঐক্যতার সাথে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।আমরা এই দেশে শান্তিতে থাকতে চাই,বাংলাদেশ আমাদের জন্মভূমি,এই দেশের সকল সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠীদের নিরাপত্তা দেওয়া একটি আদর্শ রাষ্ট্রের দায়িত্ব ও কর্তব্য।
এদেশের সকল সম্প্রদায়,সকল ধর্মের জান, মালের সুরক্ষা দেয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব ও কর্তব্য।সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্থ মঠ,মন্দির,মন্ডপ,উপসনালয় রাষ্ট্রের অর্থায়নে ও ব্যবস্থাপনায় আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে হবে।

তারা আরো বলেন,সাম্প্রতিক সহিংসতায় ধর্মীয় পুরোহিত ও সামাজিক নেতৃবৃন্দের হত্যার বিচার ও তাদের পরিবারের সদস্যদের পুনর্বাসনে সরকারের উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরী।সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা তৈরি করে আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে পুনর্বাসনসহ ভবিষৎ নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে হবে।ভবিষ্যতে যেকোন ধরণের সহিংসতায় আমরা আর প্রতিবাদ নয়,হিন্দু,বৌদ্ধ,খ্রিস্টান ঐক্যতার গড়ে প্রতিরোধ করবো।আর নয় প্রতিবাদ।এবার আমরা প্রতিরোধ গড়ে তুলবো,অসাম্প্রদায়িক ঐক্যতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টায়।

বক্তারা আরো বলেন,আমরা এই দেশে শান্তিতে থাকতে চাই,বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ,এই দেশের সকল সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠীদের নিরাপত্তা দেওয়া একটি আদর্শ রাষ্ট্রের দায়িত্ব ও কর্তব্য।এদেশের সকল সম্প্রদায়,সকল ধর্মের জান, মালের সুরক্ষা দেয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব ও কর্তব্য।সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্থ মঠ,মন্দির,মন্ডপ,উপসনালয় রাষ্ট্রের অর্থায়নে ও ব্যবস্থাপনায় আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে হবে।

তারা আরো বলেন,সাম্প্রতিক সহিংসতায় ধর্মীয় পুরোহিত ও সামাজিক নেতৃবৃন্দের হত্যার বিচার ও তাদের পরিবারের সদস্যদের পুনর্বাসনে সরকারের উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরী।সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা তৈরি করে আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে পুনর্বাসনসহ ভবিষৎ নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে হবে।ভবিষ্যতে যেকোন ধরণের সহিংসতায় আমরা আর প্রতিবাদ নয়,হিন্দু,বৌদ্ধ,খ্রিস্টান ঐক্যতার গড়ে প্রতিরোধ করবো।আর নয় প্রতিবাদ।এবার আমরা প্রতিরোধ গড়ে তুলবো,অসাম্প্রদায়িক ঐক্যতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টায়।

সম্মিলিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ নেন খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাব,সাংবাদিক ইউনিয়ন,পেশাজীবি সাংবাদিক,সাংস্কৃতিক কর্মী,বরক ব্লাড ব্যাংক(অনলাইন রক্তদাতা সংগঠন),বিশ্বভরা প্রাণ(শিল্পমৈত্রী সংগঠন),নারী অধিকার উপ-কমিটি,বাংলাদেশ আবৃত্তি পরিষদ,সচেতন নাগরিক কমিটি(সনাক),খাগড়াপুর মহিলা কল্যাণ সমিতি ও জেলার সর্বস্তরের সচেতন নাগরিক সমাজ।